শনিবার ১৩ জুন ২০২৬
Online Edition

কাদের মোল্লার শাহাদাত একটি নক্ষত্রের পতন

 à¦¡. মো. নূরুল আমিন

আজ ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, খ্যাতিমান লেখক ও সাংবাদিক বুদ্ধিদীপ্ত অনলবর্ষী বক্তা, কৌশলী দাঈ, স্বাধীনতা-উত্তর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের এক সময়ের জনপ্রিয় সহসভাপতি, সদা হাস্যোজ্জ্বল আমাদের প্রিয় আবদুল কাদের মোল্লার (মোল্লা ভাই) শাহাদাতবার্ষিকী। আজকের এই দিনে আমরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তার শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর মোল্লা ভাইয়ের ফাঁসি হয়। ১৪ তারিখে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিতব্য ওআইসির একটি সম্মেলনে যোগদান করার জন্য à§§à§© ডিসেম্বর আমি ইস্তাম্বুল পৌঁছি। আমি জানতাম না তার শাহাদাত সারা দুনিয়ায়; বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের মুসলমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জনপ্রিয়তা ও দ্বীনি ভালোবাসার তুঙ্গে তুলে দিয়েছিল। à§§à§© তারিখ রাতে তুর্কী এয়ারলাইনে যাত্রা করে ভোর ৭টায় ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পৌঁছে আমরা একটি ট্যাক্সিযোগে সম্মেলনস্থল হোটেল হলিডে ইন-এর দিকে যাত্রা করি। ট্যাক্সি ড্রাইভারের সাথে পথে পরিচয় হয় এবং আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি শুনে তিনি আনন্দে বিহ্বল হয়ে পড়েন। আমার সাথে ছিলেন মানারাত বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার জনাব হাফিজুল ইসলাম। 

ট্যাক্সি ড্রাইভার পথে পথে বাংলাদেশীদের সম্পর্কে তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকলেন এবং বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন যে, এই যুগে ইসলামের জন্য প্রাণ দিতে পারেন এমন মানুষও বাংলাদেশে আছেন তা জেনে তিনি স্তম্ভিত। হোটেল গেইটে নেমে আমরা তাকে ট্যাক্সি ভাড়া দিতে গেলে তিনি তা নিতে অস্বীকার করলেন এবং বললেন যে, কাদের মোল্লার দেশের মানুষ হিসেবে তিনি আমাদের প্রতি সৌজন্য প্রকাশের অংশ হিসেবে ভাড়া না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা তার আচরণে অভিভূত হয়ে গেলাম।

সকাল ৯টায় ওআইসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমাদের জন্য আরো বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। ৫৪টি মুসলিম দেশের সমন্বয়ে গঠিত ওআইসির এই অনুষ্ঠানটি কাদের মোল্লার দোয়ার অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বলাবাহুল্য ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু তুরস্কের ৩১টি শহরে কাদের মোল্লার গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মুসলিম দেশগুলোতে এ ধরনের জানাযা ও দোয়ার মাহফিল ছিল বেসুমার। পক্ষান্তরে আমাদের দেশের তৎকালীন নব্য ফেরাউন শেখ হাসিনা সরকার ঠিকমতো মোল্লা সাহেবের লাশ দাফন ও জানাযা পড়ার সুযোগ দেয়নি। ব্যক্তিগতভাবে আবদুল কাদের মোল্লা আমার ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু ছিলেন। বয়সে তিনি আমার এক বছরের ছোট ছিলেন। মেধা, শিষ্টাচার ও বন্ধুবৎসল্যের দৃষ্টিকোণ থেকে তার তুলনা বিরল। তিনি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে বিএসসি ও ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করেন এবং অত্যন্ত ব্রিলিয়ান্ট রেজাল্ট করেন। ২০১০ সালে গ্রেফতার হবার পূর্ব পর্যন্ত তার সাথে আমার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত ছিল। বড়শি দিয়ে মাছ ধরা তার একটি শখ ছিল। বহুস্থানে মাছ ধরার সাথী হবার আমার সৌভাগ্য হয়েছিল।

কাদের মোল্লাকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ছিল ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক বিষয়। ঢাকার মিরপুরে আবদুল কাদের মোল্লা নামক একজন অবাঙ্গালী (বিহারী) ছিলেন। একাত্তরের শুরুতে আওয়ামী লীগের গু-ারা পাইকারী হারে বিহারী মুসলমানদের উপর যে অত্যাচার-নিপীড়ন ও তাদের মা-বোনদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিল তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই কাদের মোল্লা প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে আর্মির সহযোগিতায় হত্যাকা-সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তার বাহিনী ঐ সময় অধ্যাপক রফিকুদ্দিন নামক তৎকালীন জামায়াতের একজন নেতাকেও হত্যা করে। তিনি তৎকালীন কায়েদে আজম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং ঢাকার রায়পুরা আসনে ১৯৭০ সালে জামায়াতের নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। তার লাশ টুকরো টুকরো করে পাতকুয়ায় ফেলে দেয়া হয়েছিল। এই কাদের মোল্লাকে কসাই কাদেরও বলা হতো। 

তারা পারিবারিকভাবে গোশতের ব্যবসা করতেন। এই কসাই কাদেরকে মুক্তি বাহিনী হত্যা করেছিল। তার এক ভাই বারেক মোল্লা থানা লাইভস্টক অফিসার হিসেবে সরকারি চাকরি করতেন। তার ছেলে রহিম মোল্লা স্বাধীনতার পর জীবিকা হিসেবে গোশতের ব্যবসায় ফিরে আসেন এবং আমার জানামতে ৮০ ও ৯০ এর দশকে কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে প্রথম গেইটে ঢুকলে যে গোশতের দোকানগুলো ছিল তার মধ্যে দ্বিতীয় দোকানটি ছিল রহিম মোল্লার।

হাসিনা সরকার এই কসাই কাদেরের টুপিটি জামায়াতের কাদের মোল্লার মাথায় বসিয়ে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত ৬টি অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে তার বিচারের নাটক করে তাকে ফাঁসি দেয়। অভিযোগগুলো ছিল :

১. কাদের মোল্লার নির্দেশে তার সহযোগী আখতার বাংলা কলেজের ছাত্র ও মুক্তিবাহিনীর সদস্য পল্লবকে ৫ এপ্রিল হত্যা করেছে।

২. ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মুক্তিযুদ্ধপন্থী কবি মেহেরুন্নেছা, তার মা ও তার দুই ভাইকে মিরপুর ৬-এর বাড়িতে হত্যা করে।

৩. ১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ কাদের মোল্লা তার রাজাকার আলবদর ও বিহারী সহযোগীদের নিয়ে খন্দকার আবু তালিবকে ১০ নং বাসস্ট্যান্ড থেকে ধরে এনে জল্লাদখানা পাম্প হাউজের কাছে গুলী করে হত্যা করে।

৪. ১৯৭১ সালের ২৫ নবেম্বর কাদের মোল্লা তার ৭০ জন সহযোগী নিয়ে কেরানীগঞ্জের খানবাড়ী ও ঘোটান চর (বর্তমানে শহীদনগর) গিয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে অপহরণ করে ওই দু’জন অর্থাৎ ওসমান গনি ও গোলাম মোস্তফাকে বেয়নেট চার্জ করে হত্যা করে।

৫. ১৯৭১ সালের ২৪শে এপ্রিল সকাল বেলা পাকিস্তানী সেনা সদস্য ও প্রায় ৫০ জন অবাঙ্গালী বিহারী কাদের মোল্লার উপস্থিতিতে মিরপুরের আলুবদি গ্রামে হামলা করে ৩৪৪ জন লোককে হত্যা করে।

৬. ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ কাদের মোল্লার নেতৃত্বে বিহারী ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনী সদস্যরা মিরপুরের হজরত আলী, তার স্ত্রী আমেনা, মেয়ে খাদিজা ও তাহমিনাকে গুলী করে হত্যা করে। ঐদিন তারা হজরত আলীর দু’বছরের ছেলে বাবুকেও আছাড় মেরে হত্যা করে।

বিচারিক আদালত এই ছয়টি অভিযোগের মধ্যে ১, ২, ৩, ৫ ও ৬ নং অভিযোগে বর্ণিত অপরাধের জন্য তাকে যাবজ্জীবন শাস্তি প্রদান করেন, ৪ নং অভিযোগের ব্যাপারে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যে অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তার মধ্যে ৩ নং অভিযোগটি প্রণিধানযোগ্য। এতে বলা হয়েছে যে, তিনি ১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ তার সহযোগী রাজাকার, আলবদর ও বিহারীদের নিয়ে আবু তালেব নামক এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছেন। আমি আবার বলছি ঘটনাটি ২৯শে মার্চের। ঐ সময় রাজাকার আলবদরের কোন অস্তিত্বই ছিল না, ঐ বছর জুন মাসের প্রথম দিক দিয়ে আনসার আইন সংশোধন করে তৎকালীন সামরিক সরকার রাজাকার বাহিনী গঠন করেন এবং বেতনভোগী কর্মচারী হিসাবে রাজাকারদের নিয়োগ দেয়া হয়। যারা এই অভিযোগটি করেন তারা গাঁজা খেতেন কিনা আমি জানি না, তবে আমি নিশ্চিত ২ নং ট্রাইব্যুনাল আদালতের যারা বিচারক ছিলেন তারা গাঁজাখোর ছিলেন। বলাবাহুল্য, এই আদালতের চেয়ারম্যান ছিলেন জাস্টিস ওবায়দুল হাসান এবং সদস্যদের মধ্যে ছিলেন জাস্টিস মুজিবর রহমান মিয়া এবং জজ শাহিনুর ইসলাম, গোলাম আরিফ টিপু ছিলেন চীফ প্রসিকিউটর এবং মোহাম্মদ আলী প্রসিকিউটর ছিলেন। আজ কাদের মোল্লা সাহেবের শাহাদাত বার্ষিকীতে আমার এই বিচারিক হত্যার বিচার চাই।

২০১৯ সালে কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ অভিহিত করে দৈনিক সংগ্রামে একটি রিপোর্ট করায় দৈনিকটির সম্পাদকের উপর আওয়ামী গু-ারা হামলা চালায়। তারা পত্রিকাটির আসবাবপত্র, কম্পিউটারসহ অফিস সরঞ্জামাদি প্রভৃতি ভাঙচুর করে এবং প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদকে নির্যাতিত করে। পরে জনাব আসাদকে পুলিশ গ্রেফতার করে বিনাবিচারে প্রায় দু’বছর জেলখানায় আটক করে রাখে। এই হামলা ও ভাঙচুরের সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা জরুরি। এখন অন্য প্রসঙ্গে আসি।

আওয়ামী লীগ কর্তৃক শাহবাগ চত্বরে আয়োজিত একটি মঞ্চের দাবির ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইন সংশোধন করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের ওপর ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক স্যাম জারিফি দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ দেন। তিনি বলেন, ‘The Prosecution appeal was based on a law that was not in face when he was first Convicted and applying that law retrospectively especially for the death penalty violates internatioal law. If appears that the Parliament on Februany 17 2013 passed on amendment to the ICT Act to inable prosectors to alphal a life sentence and seek death penalty. The Appellate Division death sentence. Before the amendment the projection was only allowed to appeal if in accused was acquitted.

The ICJ Says the restroqucluice applicatn on the anendnent in Mollah’s Case is incomfiflate with Bangladesh obligalm under the International conenant, on civil and nalitical Right (ICCPR) including arlich 15 which prohilits the heareier renalty than prodided for at the time the crimenal appence was commiltd. Jandgement such as this highlight the serious Problem with the was crinees Tribonal that funth undertime its legitamecy.

The wornds of wh can only bee healed through a fair and transhasent trial froces that meets international standard of far trial and due process of law.

It is essential that whose sesponsible for comonttip atrociles during the Bangladesh war of libetion are prosetied and brought to justice’ Zarifi added, but the death realing perfetiontes the cycle of violence and is perversion of justice and all the more so when it is impased in vialation of due process of law.

সংক্ষেপে এর অর্থ হচ্ছে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক আদালত যখন তাকে শাস্তি প্রদান করে তখন বাদী পক্ষের আপিল করার বিধানও তাকে ভুতাপেক্ষ কার্যকারিতা দেয়ার বিধান ছিল না, এই অবৈধ প্রক্রিয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। দেখা যায় যে, ২০১৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাদী পক্ষকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে মৃত্যুদণ্ডে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত চেয়ে আপিলের সুযোগ দেয়ার জন্য জাতীয় সংসদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধনীর আগে বাদী শুধু আসামি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারতেন।

আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের মতে কাদের মোল্লার মামলার সংশোধিত আইনের ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা প্রদান বাংলাদেশ কর্তৃক অনুস্বাক্ষরিত ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্যান্ট অন সিভিল এন্ড পলিটিকেল রাইটস এর সংশ্লিষ্ট বিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই চুক্তির ১৫ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, অপরাধ সংগঠনের সময় বলবৎ ও কার্যকর আইনের বিধান অনুযায়ী প্রাপ্য শাস্তির চেয়ে ভারী কোনো শাস্তি দেয়া যাবে না, কাদের মোল্লাকে দেয়া এই শাস্তি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনালের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ। একটি ন্যায়ানুগ ও স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই শুধু যুদ্ধের ক্ষত নিরাময় করা যেতে পারে। লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেয়া হলে সহিংসতা অব্যাহত থাকে এবং এটা বিচারের বিকৃতি ঘটায়।

ইন্টারন্যাশনাল কোট অব জাস্টিসসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহ বিশে^র খ্যাতনালাম আলেম-ওলামা, আইন বিশেষজ্ঞ এবং জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরেপাীয় ইউনিয়ন ট্র্রাইব্যুনালের এই বিচার প্রক্রিয়ায়ও আপিল আদালতের রায়কে ন্যায়ভ্রষ্ট বলে অভিহিত করে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শেখ হাসিনার তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব জনমতকে উপেক্ষা করে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জনাব আবদুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন। এটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণৌদিত একটি বিচার বিভাগীয় হত্যাকাণ্ড।

নিরাপরাধ কাদের মোল্লা সত্য ও দ্বীনের প্রতি ছিলেন অবিচল। এ জন্যই তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। যারা সত্য ও দ্বীনের জন্য প্রাণ দেন তারা শহীদ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার এই শাহাদাত কবুল করুন। আমীন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ